প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ: ছাত্র না পেলে টিচাররা (শিক্ষকরা) খেলবে, কিন্তু টিম গঠন করতে হবে।

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ: দল গঠনে ব্যর্থ হলে বাতিল হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও, কড়া হুঁশিয়ারি সরকারের ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে খেলাধুলার সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে এক অভূতপূর্ব ও কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। দেশব্যাপী আয়োজিত ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা’য় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দল গঠনে ব্যর্থ হলে, সেই প্রতিষ্ঠানের মান্থলি পে-অর্ডার বা এমপিও (MPO) সুবিধা স্থগিত রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, খেলোয়াড় সংকটের অজুহাত দিলে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আদৌ কোনো শিক্ষার্থী আছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত করা হবে। সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার স্টিয়ারিং কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তাঁর এই প্রস্তাবের পর শিক্ষাঙ্গন ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সমন্বিত উদ্যোগ: একমঞ্চে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয় প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপকে কেবল একটি সাধারণ ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে দেখছে না সরকার; বরং একে দেশের যুবসমাজকে মাদক ও অবক্ষয় থেকে দূরে রাখার একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণেই টুর্নামেন্টটিকে সফল করতে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সোমবারের স্টিয়ারিং কমিটির এই হাই-প্রোফাইল সভায় শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন: এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই সভায় অংশ নেন। একাধিক মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, সরকার এই টুর্নামেন্টটি আয়োজনে কতটা বদ্ধপরিকর। তথ্য মন্ত্রণালয় এর প্রচারণার দায়িত্বে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কারিগরি সহায়তায় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় মাঠ ও অবকাঠামোগত দিকগুলো দেখভাল করছে। এমপিও বাতিলের হুঁশিয়ারি: নেপথ্যের কারণ ও প্রেক্ষাপট সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে দল গঠন করতে হবে। তিনি বলেন, “সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দল গঠন নিশ্চিত করতে হবে। তবে আমি একটা শর্ত দিতে বলব, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি টিম গঠন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেসব কারিগরি কলেজ, মাদ্রাসা, হাই স্কুল বা জেনারেল কলেজ—যাই হোক না কেন, সেই প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।” কেন এমন কঠোর অবস্থান? দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে যে, দেশের আনাচে-কানাচে এমন অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, যেগুলোর বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই অথবা কাগজে-কলমে শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা থাকে। সরকারের কাছ থেকে এমপিওভুক্তির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পেলেও এই প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার মান উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখছে না। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, “কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি ১১ জন বা ১৫ জন খেলোয়াড়ের একটি ফুটবল টিম গঠন করতে না পারে, তাহলে আপনাদের ধরে নিতে হবে যে ওই প্রতিষ্ঠানে বাস্তবে কোনো স্টুডেন্ট (শিক্ষার্থী) নেই। তার মানে, ওই প্রতিষ্ঠানে আপনাদের তদন্ত করার দরকার। এটাই হচ্ছে মোক্ষম সময়।” অর্থাৎ, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ এখন কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অবস্থা যাচাই করার একটি ‘অ্যাসিড টেস্ট’ বা মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। ‘শিক্ষার্থী না থাকলে শিক্ষকরা খেলবেন, তবুও টিম লাগবে’ খেলাধুলার প্রতি অনীহা বা দায়িত্ব এড়ানোর কোনো সুযোগ এবার আর থাকছে না। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিষয়টি এতটা জোর দিয়ে বলেছেন যে, তাঁর একটি মন্তব্য সভায় উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি বলেন, “ছাত্র না পেলে টিচাররা (শিক্ষকরা) খেলবে, কিন্তু টিম গঠন করতে হবে। টিম গঠন করাটা একদম ম্যান্ডেটরি (বাধ্যতামূলক) করতে হবে।” তাঁর এই মন্তব্যের অন্তর্নিহিত অর্থ হলো, সরকার কোনো ধরনের অজুহাত শুনতে রাজি নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদকে যেকোনো মূল্যে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে হবে। যারা এই নির্দেশ অমান্য করবে বা দল গঠনে ব্যর্থ হবে, তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানসহ কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা পর্যায়ে উৎসবের আমেজ: একটির বদলে ৪-৫টি মাঠে খেলা প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ যেন শুধু জেলা বা বিভাগীয় শহরে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেজন্য তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাংলার আনাচে-কানাচে ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে টুর্নামেন্টের ফরমেটে আনা হয়েছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। আগে উপজেলা পর্যায়ে একটিমাত্র মাঠে খেলা অনুষ্ঠিত হতো। এতে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারতো না এবং টুর্নামেন্ট শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগে যেত। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে মীর শাহে আলম জানান, “প্রতিযোগিতাকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে উপজেলা পর্যায়ে একটি মাঠের পরিবর্তে অন্তত চার থেকে পাঁচটি মাঠে একযোগে খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” এই সিদ্ধান্তের ফলে যা যা অর্জিত হবে: তৃণমূল থেকে উঠে আসবে আগামী দিনের তারকা বাংলাদেশের ফুটবলের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণের বিকল্প নেই। তবে আলাদা করে ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ বা প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ না করে, এই ধরনের জাতীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই যে সেরা খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব, সে বিষয়ে সভায় একমত পোষণ করেন মন্ত্রীরা। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খেলাধুলা নিয়মিত হলে আলাদা করে প্রতিভা খুঁজতে হবে না, মাঠ থেকেই যোগ্য খেলোয়াড় উঠে আসবে।” সত্যিকার অর্থেই, যখন সারা দেশের হাজার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই গোল্ডকাপে অংশ নেবে, তখন সেখান থেকে প্রতিভাবান স্ট্রাইকার, মিডফিল্ডার বা ডিফেন্ডাররা স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচকদের চোখে পড়বেন। উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে বিভাগ এবং সবশেষে জাতীয় পর্যায়ে খেলার মাধ্যমে এই তরুণেরাই একদিন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর যোগ্যতা অর্জন করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুদ্ধি অভিযান ও সরকারের ভিশন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তটি ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মারার মতো। একদিকে যেমন স্কুল-কলেজগুলোতে খেলাধুলার পরিবেশ ফিরে আসবে, শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের আসক্তি ছেড়ে মাঠেমুখী হবে; অন্যদিকে তেমনি এমপিওভুক্তির নামে যারা সরকারের অর্থ তছরুপ করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এই টুর্নামেন্টের পর প্রতিটি জেলার শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হবে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টিম দিতে ব্যর্থ হবে, তাদের তালিকা সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করে ওইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে এমপিও বাতিল থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল হতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুধু ক্রীড়াঙ্গনেই নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। সরকারের এই কঠোর অথচ সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত আগামী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে যেমন ভূমিকা রাখবে, তেমনি শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতেও কার্যকর প্রমাণিত হবে। এখন দেখার বিষয়, এই নির্দেশনার পর সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করে এবং ফুটবলের এই মহোৎসবে কীভাবে সাড়া দেয়। আরো পড়ুনঃ বিনা খরচে ইতালিতে পিএইচডি
Free PhD in Italy: ( বিনা খরচে ইতালিতে পিএইচডি ) আবেদন করুন- ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্সের ‘পেগাসো স্কলারশিপ 2026’

ইতালির স্কলারশিপ ২০২৬-এ আবেদনের বিস্তারিত নির্দেশিকা (Free PhD in Italy ) উচ্চশিক্ষার জন্য ইউরোপের দেশগুলো বরাবরই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। এর মধ্যে ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার কারণে ইতালির অবস্থান প্রথম সারিতে। যারা গবেষণায় নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য পিএইচডি (PhD) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আর এই পিএইচডি যদি হয় সম্পূর্ণ বিনা খরচে এবং মাসিক ভাতাসহ, তবে তা যেকোনো শিক্ষার্থীর জন্যই এক সুবর্ণ সুযোগ। এমনই এক অভাবনীয় সুযোগ নিয়ে এসেছে ইতালির অন্যতম প্রাচীন এবং স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্স’ (University of Florence)। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য তিন বছর মেয়াদি পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২তম পিএইচডি ভর্তি কার্যক্রমের আওতায় ‘পেগাসো পিএইচডি স্কলারশিপ-২০২৬’ (Pegaso PhD Scholarship 2026) এর মাধ্যমে এই সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই আর্টিকেলে আমরা ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্সে পিএইচডি স্কলারশিপের বিস্তারিত তথ্য, সুযোগ-সুবিধা, যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করব। কেন বেছে নেবেন ইতালির ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্স? ইতালির তাসকানা (Tuscany) প্রদেশের রাজধানী ফ্লোরেন্সকে বলা হয় রেনেসাঁর সূতিকাগার। শিল্প, সাহিত্য ও বিজ্ঞানের এক অনন্য মিলনমেলা এই শহর। ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্স প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৩২১ সালে, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেয়। Free PhD in Italy 2026 ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্সের ৪২তম সাইকেলের (42nd Cycle) পিএইচডি ভর্তি কার্যক্রমের আওতায় এই স্কলারশিপটি প্রদান করা হবে। এটি কোনো সাধারণ স্কলারশিপ নয়; বরং এটি একটি যৌথ উদ্যোগ। ইতালির রিজিওনে তাসকানা (Regione Toscana), ইউরোপীয় সামাজিক তহবিল (PR ESF+ ২০২১–২০২৭) এবং তরুণদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত ‘জিওভানিসি’ (Giovanisì) প্রকল্পের যৌথ অর্থায়নে এই মেগা স্কলারশিপ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। এই স্কলারশিপের মূল লক্ষ্য হলো উচ্চতর গবেষণায় আন্তর্জাতিক মেধাবীদের আকৃষ্ট করা এবং স্থানীয় ও বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা। Free PhD in Italy স্কলারশিপের অভাবনীয় সুযোগ-সুবিধা ইউরোপে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণ থাকে ফান্ডিং বা অর্থের পরিমাণ। পেগাসো স্কলারশিপ এই দিক থেকে শতভাগ নিশ্চিন্ত একটি প্রোগ্রাম। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের যেসব সুবিধা দেওয়া হবে তার একটি বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া হলো: Free PhD in Italy কারা আবেদন করতে পারবেন? এই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাগত ও ভাষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়: ১. শিক্ষাগত যোগ্যতা: আবেদনকারীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর (Master’s Degree) বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে। ইতালিয়ান শিক্ষাব্যবস্থার ‘Laurea Magistrale’ এর সমকক্ষ ডিগ্রি থাকতে হবে, যা বাংলাদেশের চার বছর মেয়াদি স্নাতক এবং এক থেকে দুই বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমতুল্য। ২. ফলাফল: একাডেমিক ফলাফল বা সিজিপিএ (CGPA) ভালো হওয়া বাঞ্ছনীয়। পূর্ববর্তী গবেষণার অভিজ্ঞতা, পাবলিকেশন বা থিসিস থাকলে তা সিলেকশন কমিটিকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। ৩. বয়সসীমা: সাধারণত পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়সের বাধা থাকে না। তবে তরুণ গবেষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। ৪. ভাষাগত দক্ষতা: প্রোগ্রামটি যদি সম্পূর্ণ ইংরেজিতে হয়, তবে আইইএলটিএস (IELTS) বা টোফেল (TOEFL) এর মতো ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণপত্র জমা দিতে হতে পারে। ঘরে বসেই IELTS প্রস্তুতি নিতে ভালো মানের বই ও অনলাইন কোর্সের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, প্রোগ্রামটি ইতালিয়ান ভাষায় হলে নির্দিষ্ট লেভেলের ইতালিয়ান ভাষার দক্ষতার সনদ প্রয়োজন হবে। Free PhD in Italy আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র একটি সফল আবেদনের জন্য নথিপত্রগুলো খুব নিখুঁতভাবে প্রস্তুত করা জরুরি। নিচে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের একটি তালিকা বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো: Free PhD in Italy আবেদন প্রক্রিয়া: কীভাবে আবেদন করবেন? আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি সহজেই আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন: ধাপ ১: পোর্টাল রেজিস্ট্রেশন প্রথমে ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্সের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে স্টুডেন্ট পোর্টালে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। ধাপ ২: প্রোগ্রাম নির্বাচন অ্যাকাউন্টে লগইন করে ৪২তম সাইকেলের (42nd Cycle PhD) ‘পেগাসো পিএইচডি স্কলারশিপ-২০২৬’ অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে এবং আপনার পছন্দের সাবজেক্ট বা ডিপার্টমেন্ট নির্বাচন করতে হবে। ধাপ ৩: ফর্ম পূরণ ও ডকুমেন্ট আপলোড আবেদনপত্রের প্রতিটি ঘর সতর্কতার সাথে পূরণ করুন। এরপর স্ক্যান করা সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (পিডিএফ ফরম্যাটে) নির্দিষ্ট সাইজ অনুযায়ী আপলোড করুন। ধাপ ৪: আবেদন ফি প্রদান আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আবেদন ফি প্রদান। আপনাকে ৩০ ইউরো (প্রায় ৩,৯০০ টাকা) আবেদন ফি জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য (Non-refundable)। আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে এই ফি পরিশোধ করা যাবে। ধাপ ৫: সাবমিশন ও ট্র্যাকিং সব তথ্য এবং ডকুমেন্ট পুনরায় যাচাই করে অ্যাপ্লিকেশনটি সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর একটি কনফার্মেশন ইমেইল পাবেন। এরপর থেকে নিয়মিত ইমেইল এবং পোর্টাল চেক করে আবেদনের আপডেট জানতে পারবেন। (আবেদন করতে এবং আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন) Free PhD in Italy সফল হওয়ার জন্য কিছু বিশেষ টিপস শেষ কথা Free PhD in Italy ইতালির ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্সে পেগাসো স্কলারশিপ নিয়ে পিএইচডি করার সুযোগ আপনার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এটি শুধু একটি একাডেমিক ডিগ্রি নয়, বরং বিশ্বের বুকে নিজেকে একজন আন্তর্জাতিক মানের গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার এক অনন্য সিঁড়ি। তাই আপনি যদি উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী হন এবং যোগ্যতা সম্পন্ন করে থাকেন, তবে আজই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গোছানোর কাজ শুরু করে দিন। মনে রাখবেন, আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ আগস্ট ২০২৬। আপনার স্বপ্নের দেশ ইতালিতে উচ্চশিক্ষার যাত্রা শুভ হোক! What is the admission process of Dhaka University? ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (DCU) ভর্তি আবেদন শুরু
প্রধান শিক্ষকের ‘পরকীয়ায়’ তছনছ সংসার, প্রকাশ্যেই প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে পেটালেন সহকারী শিক্ষক সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে তোলপাড়

The Tragic Chapter: যখন শিক্ষকের ‘Extramarital Affair’ রূপ নেয় Open Conflict-এ; সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে তোলপাড় নিজস্ব প্রতিবেদক | শরীয়তপুর প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২৬ শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষার আলো ছড়ানোর এই পবিত্র আঙিনায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পুরো দেশের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রকাশ্যে মারধর করছেন তারই এক সহকারী শিক্ষক। প্রাথমিক দৃষ্টিতে এটি কেবল একটি ছুটির আবেদন কেন্দ্রিক সংঘাত মনে হলেও, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক দীর্ঘ, যন্ত্রণাদায়ক ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক গল্প। এই ঘটনার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে সংসার ভাঙার অভিযোগ, চরম দারিদ্র্য, ‘পরকীয়া’র দাবি এবং ব্ল্যাকমেইল ও আধুনিক প্রযুক্তির (এআই) অপব্যবহারের মতো চাঞ্চল্যকর বিষয়। গত বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ছিল কিছুটা থমথমে। সেদিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিদ্যালয় পরিদর্শনের কথা ছিল এবং বিকেলে নির্ধারিত ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা। সকাল ৯টার দিকে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া ডিজিটাল হাজিরা শেষ করে সব শিক্ষককে ক্লাসে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ঠিক এমন সময় সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন একটি নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন নিয়ে তার কাছে আসেন। পূর্বানুমতি না থাকা এবং পরিদর্শনের ব্যস্ততার কারণে প্রধান শিক্ষক ছুটি নামঞ্জুর করেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জানা যায়, ছুটি না পাওয়ায় সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক কক্ষ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে দেলোয়ার হোসেন তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রধান শিক্ষকের কলার চেপে ধরে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন এবং গলা চেপে ধরেন। পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও দপ্তরি-কাম-প্রহরী ছুটে এসে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করেন। এই আকস্মিক হামলার পেছনের কারণ জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন এক হৃদয়বিদারক অভিযোগ তুলে ধরেন। তার দাবি, এই ক্ষোভ একদিনের নয়; গত ২০ মাস ধরে তিনি চরম মানসিক নিপীড়নের শিকার। মারামারির দিন সকালে দেলোয়ার কেন এত মরিয়া হয়ে ছুটি চেয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান এক চরম অসহায়ত্বের কথা। তিনি জানান, টানা দুদিন ধরে তার বাসায় রান্না করার মতো গ্যাস ছিল না এবং গ্যাস কেনার টাকাও তার কাছে ছিল না। আগের রাতে মসজিদ থেকে আনা খিচুড়ি তিনি সন্তানদের খাইয়েছিলেন। সেই বাসি খাবার খেয়ে সকালে তার এক সন্তান মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। সন্তানকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার জন্যই তিনি ছুটির আবেদন করেছিলেন। “প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আমার গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে। তিনি আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। তার কারণে আমার সংসার দুবার ভেঙেছে। তিনি আমার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করিয়েছেন। মামলা চালাতে গিয়ে আমি ১০-১২ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।” — ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক তাকে ফাঁসানোর জন্য বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন এবং ছুটি না দেওয়ার পেছনে প্রধান শিক্ষকের ভয় ছিল যে তিনি হয়তো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ নিয়ে যাবেন। সহকারী শিক্ষকের এসব গুরুতর অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া। তিনি নিজেকে এই ঘটনার ‘নিরপরাধ ভুক্তভোগী’ হিসেবে দাবি করে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন। প্রধান শিক্ষকের দাবি, দেলোয়ার এবং তার স্ত্রীর মধ্যে গত ১০ বছর ধরেই দাম্পত্য কলহ চলছিল এবং তারা বিচ্ছেদের পর্যায়েও গিয়েছিলেন। সহকর্মীদের অনুরোধে তিনি কেবল তাদের মধ্যে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিলেন মাত্র। প্রধান শিক্ষক এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে জানান, দেলোয়ার হোসেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ফাঁসানোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার করেছেন। “তিনি আমার মোবাইল চুরি করে এবং তার স্ত্রীর মোবাইলের কিছু তথ্য ব্যবহার করে ইমো (Imo) চ্যাট ও কল রেকর্ড সম্পাদনা করেছেন। এমনকি এআই (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে ভুয়া প্রমাণ তৈরি করা হয়েছে। ইমোতে সাধারণত নাম দেখা যায়, কিন্তু তিনি এডিট করে আমার নম্বর বসিয়েছেন। এসব দেখিয়ে তারা আমার কাছে টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইল করেছেন।” — দাবি করেন প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ। তিনি আরও জানান, দেলোয়ার হোসেন নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতেন না এবং অনিয়ম করতেন। এসব কারণে তাকে এর আগে অন্য বিদ্যালয়ে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানেও নারীঘটিত কেলেঙ্কারিতে জড়ানোর পর তাকে পুনরায় এই বিদ্যালয়ে ফেরত পাঠানো হয়। এক নজরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ (At a Glance) বিষয় সহকারী শিক্ষক (দেলোয়ার হোসেন)-এর দাবি প্রধান শিক্ষক (আলী আসাদ মিয়া)-এর দাবি মূল অভিযোগ প্রধান শিক্ষক তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত। পরকীয়ার অভিযোগ মিথ্যা; তাদের ১০ বছরের দাম্পত্য কলহ রয়েছে। ছুটি না দেওয়া সন্তান অসুস্থ থাকায় ছুটি চেয়েছেন, কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেওয়া হয়নি। পরিদর্শন ও সভার কারণে তাৎক্ষণিক ছুটি দেওয়া সম্ভব ছিল না। তথ্য-প্রমাণ অডিও রেকর্ড ও চ্যাটের স্ক্রিনশট রয়েছে। এসব প্রমাণ এআই (AI) ও সফটওয়্যার দিয়ে এডিট করা এবং ভুয়া। পেশাগত আচরণ পারিবারিক যন্ত্রণায় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তিনি নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দেন এবং পূর্বেও নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা এবং পাল্টাপাল্টি গুরুতর অভিযোগের বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলে পৌঁছেছে। এ বিষয়ে বেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রিপন মিঞা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিস তদন্ত করছে। পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের মতো স্পর্শকাতর অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে মানিকগঞ্জ থেকে বিশেষ কর্মকর্তা এসে তদন্ত পরিচালনা করবেন। শরীয়তপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ মো. ইকবাল মনসুর বলেন, “ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর আমরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে যাচ্ছি। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টিও তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং দোষী প্রমাণিত হলে যে কারও বিরুদ্ধেই কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পুরো দেশ এখন তাকিয়ে আছে শিক্ষা বিভাগের এই সুষ্ঠু তদন্তের দিকে। শিক্ষার পবিত্র আঙিনায় ঘটে যাওয়া এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রকৃত সত্য দ্রুতই বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Famous Marriage Counselors Dr. Sushama and Dr. Kusal Split Up After 20 years? অন্যের ঘর জোড়া লাগালেও টিকলো না নিজেদের সংসার!

স্ক্রিনের সুখী জুটি, নেপথ্যে ২০ বছরের নিঃশব্দ দূরত্ব! যেভাবে ভেঙে গেল ‘লাইফস্প্রিং’ খ্যাত সুষমা-কুশালের ( Dr. Sushama and Dr. Kusal) ভালোবাসার রাজপ্রাসাদ! বিশেষ ডেক্স প্রতিবেদন, ঢাকা: শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ৯টা বেজে ৪ মিনিট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুট করেই যেন একটা বড়সড় ভূমিকম্প হয়ে গেল। স্ক্রিনের ওপর ভেসে উঠল একটি যৌথ ফেসবুক পোস্ট। কোনো ঝগড়া নয়, কোনো কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি নয়— অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় এক মন খারাপ করা ঘোষণা। ঘোষণাটি দিলেন আর কেউ নন, নেটপাড়ার সবচেয়ে জনপ্রিয়, রুচিশীল এবং আদর্শ হিসেবে পরিচিত চিকিৎসক দম্পতি— ডা. সুষমা রেজা এবং ডা. সায়েদুল আশরাফ কুশাল। দীর্ঘ ২০ বছরের চেনা পথচলা, একসঙ্গে সংসার, সন্তান এবং হাজারো অমূল্য স্মৃতিকে এক নিমেষে পেছনে ফেলে তাঁরা ঘোষণা দিলেন— “আমরা আর একসঙ্গে নেই।” Dr. Sushama and Dr. Kusal যাঁদের তৈরি ভিডিও দেখে প্রতিদিন হাজার হাজার দম্পতি নিজেদের ভাঙা সংসার জোড়া লাগাতেন, সেই ‘ম্যারেজ কাউন্সেলর’ জুটির নিজেদের সংসারই এভাবে ভেঙে যাবে, তা হয়তো কোনো অনুরাগী স্বপ্নেও ভাবেননি। ফলে এই ঘোষণা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মনে জন্ম দেয় অজস্র কৌতূহল ও প্রশ্ন। আসলে কী ঘটেছিল এই সুখী জুটির আড়ালে? অল্প বয়সের প্রেম থেকে ‘লাইফস্প্রিং’— যেভাবে গড়ে উঠেছিল এক সাম্রাজ্য Dr. Sushama পেশায় একজন প্রতিষ্ঠিত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এবং Dr. Kusal দেশের প্রথম সারির একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। খুব অল্প বয়সে একে অপরের প্রেমে পড়েছিলেন তাঁরা। হাত ধরেছিলেন এক দীর্ঘ রূপকথার জার্নি শুরু করার জন্য। দেখতে দেখতে কেটে গেছে প্রায় দুই দশক (২০ বছর)। এই দীর্ঘ সময়ে তাঁরা শুধু একটি পরিবারই গড়েননি, একসঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান ‘লাইফস্প্রিং’। ফেসবুক ও ইউটিউবে দাম্পত্য জীবনের নানা অলিগলি, সম্পর্কের টানাপোড়েন, রোমান্স টিকিয়ে রাখার উপায় এবং পরকীয়া বা দূরত্বের মতো জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে নিয়মিত কন্টেন্ট বানাতেন তাঁরা। লাখ লাখ মানুষের কাছে তাঁরা ছিলেন ‘আইডিয়াল কাপল’ বা আদর্শ দম্পতি। Dr. Sushama and Dr. Kusal – “সোশ্যাল মিডিয়ার নিখুঁত ছবিটা আসল ছিল না”: ক্যামেরার পেছনের নির্মম সত্য ফেসবুক পোস্টে এই দম্পতি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে স্বীকার করেছেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ তাঁদের যে সুখী রূপটি দেখত, তা কোনো কৃত্রিম অভিনয় ছিল না। তাঁরা একসাথে ভালো মুহূর্তগুলো সত্যিই উপভোগ করেছিলেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে প্রতিটা মানুষ বদলায়, আর সেই নিয়মে বদলে গেছে তাঁদের সম্পর্কটাও। তাঁরা লিখেছেন: “সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা দুজনই উপলব্ধি করেছি, আমাদের সম্পর্ক সেই জায়গাটিতে নেই যেখান থেকে আমরা শুরু করেছিলাম। একটা সময় পরিবর্তনগুলো দেখে আমরা বুঝতে পেরেছি, জীবনের এই পর্যায়ে শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হয়ে যাওয়াই আমাদের দুজনের জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক সিদ্ধান্ত।” বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পেশাগত জীবনে প্রতিনিয়ত অন্যদের সম্পর্কের বিষাক্ত বা নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ডিল করতে করতে এবং ‘লাইফস্প্রিং’-এর মতো বিশাল প্রতিষ্ঠানের চাপ সামলাতে গিয়ে এই দম্পতি নিজেদের অজান্তেই একে অপরের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। অন্যের ঘর বাঁধতে বাঁধতে নিজেদের ঘরের সুতোটা কখন আলগা হয়ে গেছে, তা হয়তো তাঁরা নিজেরাও টের পাননি। Dr. Sushama and Dr. Kusal – “জীবন খুবই ভঙ্গুর”: শেষ বার্তায় লুকিয়ে কোন অনুশোচনা? এই বিচ্ছেদের খবরের সবচেয়ে চটকদার ও আবেগঘন অংশটি ছিল পোস্টের একদম শেষের লাইনে। বিদায়বেলায় ভক্তদের উদ্দেশ্যে এই চিকিৎসক দম্পতি নিজেদের জীবন থেকে শেখা একটি চরম সত্য ও অনুশোচনার কথা লিখে গেছেন। তাঁরা লিখেছেন: “নিজের পরিবারকে সময় দিন। প্রিয় মানুষগুলোর হাত শক্ত করে ধরে রাখুন। জীবন খুবই ভঙ্গুর। আজকের একেবারে সাধারণ, নীরব মুহূর্তগুলোই কখন যে আগামী দিনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতিতে পরিণত হয়, আমরা অনেক সময় তা বুঝতেই পারি না। তাই প্রতিটি মুহূর্ত বাঁচুন সচেতনভাবে, কৃতজ্ঞতায় এবং আন্তরিকতায়।” এই একটি লাইনই বলে দেয়, ক্যারিয়ার, লাইক-কমেন্ট-শেয়ার আর পেশাগত সাফল্যের ইঁদুরদৌড়ে কোথাও না কোথাও তাঁরা নিজেদের একান্ত ব্যক্তিগত সময়গুলোকে হারিয়ে ফেলেছিলেন। সাধারণ, নীরব মুহূর্তগুলোর অভাবই আজ তাঁদের ২০ বছরের সাজানো সংসারকে এক লহমায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে দিল। “আমরা রক্ত-মাংসের মানুষ, দয়া করে ভাইরাল ট্রল বানাবেন না” বিচ্ছেদের খবর ছড়াতেই যখন ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে নানারকম গুজব ও মিম তৈরি হতে শুরু করেছে, তখনই নেটিজেনদের বিবেককে নাড়া দিয়ে একটি সংবেদনশীল অনুরোধ করেছেন সুষমা-কুশাল। তাঁরা বিনীতভাবে জানিয়েছেন, স্ক্রিনের ওপারে থাকা মানুষগুলো স্রেফ কোনো নিউজ বা ভাইরাল কন্টেন্ট নয়, তাঁরাও রক্ত-মাংসের মানুষ। এই কঠিন সিদ্ধান্তটি নিতে তাঁদের নিজেদেরই দীর্ঘ আত্মসমালোচনা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বিশেষ করে তাঁদের সন্তান, বয়োবৃদ্ধ মা-বাবা এবং ভাইবোনদের যেন এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোংরা বিচার-বিশ্লেষণ ও গুজবের মুখোমুখি হতে না হয়, সেজন্য তাঁরা হাত জোড় করে সংযম ও সহমর্মিতা প্রার্থনা করেছেন। এক বিষাদময় অধ্যায়ের সমাপ্তি কোনো কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি নেই, কোনো পরকীয়া বা প্রতারণার সস্তা অভিযোগ নেই; অত্যন্ত শান্ত গ্রহণযোগ্যতা আর পরস্পরের প্রতি সম্মান রেখেই বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন এই চিকিৎসক দম্পতি। তবে তাঁদের এই বিদায় নেটদুনিয়ার সাধারণ মানুষদের মনে একটি চিরন্তন সত্যকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করে গেল— ভার্চুয়াল লাইফের “পারফেক্ট কাপল” বা নিখুঁত সুখী দম্পতি বলে বাস্তবে আসলে কিছুই হয় না; সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে একে অপরকে সময় দিতে হয়। আরো পড়ুনঃ “বাস্তব না সিনেমার গল্প? একসঙ্গে জন্ম, একই স্কুল, আর মাধ্যমিকেও হুবহু এক নম্বর!”
National University 1st Year Admission Apply Circular 2025-26 Published ।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

National University 1st Year Admission জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ৪ বছর মেয়াদী ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে । আগামী ২৫ জুন ২০২৬ তারিখ থেকে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন । নিচে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য নিউজ পোর্টালে প্রকাশের উপযোগী করে তুলে ধরা হলো: 📅 গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ 📚 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) প্রস্তাবিত প্রোগ্রাম ও বিষয়সমূহ এ শিক্ষা কার্যক্রম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারিত ক্যাম্পাসে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে । ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে অর্ন্তভুক্ত বিষয়সমূহ হলো: 🎓 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা 📝 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন ও পদ্ধতি 💰 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) ফি সংক্রান্ত তথ্য 📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য আগের নিউজের সাথে যুক্ত করার জন্য ভর্তি বিজ্ঞপ্তির আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: 📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) কোটা ও সংরক্ষিত আসন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অন-ক্যাম্পাস আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে প্রতি বিষয়ে কোটার জন্য সর্বোচ্চ ০৮ (আট) টি আসন সংরক্ষিত থাকবে । কোটার আসনগুলো বিষয়ভিত্তিক বরাদ্দকৃত সাধারণ আসনের অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে । 🚫 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) দ্বৈত ভর্তি বাতিল প্রসঙ্গ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ বা অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থী এই প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হলে, তাকে পূর্ববর্তী ভর্তি বাতিল করে তবেই এখানে ভর্তি হতে হবে । একই বা দুটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে কোনো শিক্ষার্থী দ্বৈত ভর্তি হলে তার উভয় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে । 🌍 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) ও-লেভেল (O-Level) এবং এ-লেভেল (A-Level) শিক্ষার্থীদের আবেদন ২০২২/২০২৩ সালের O-Level পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত চারটি বিষয়ে এবং ২০২৪/২০২৫ সালের A-Level পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত দুইটি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে । তবে তাদের অনলাইনে আবেদন না করে সরাসরি বা ই-মেইলের (adm.hons@nu.ac.bd) মাধ্যমে স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ডিন বরাবর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে । বিদেশি সার্টিফিকেটধারীদের ক্ষেত্রেও শিক্ষা বোর্ড থেকে সমতা নিরূপণ করে একইভাবে সরাসরি আবেদন করতে হবে । 🔢জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) মেধা তালিকা প্রণয়নে টাই-ব্রেকিং নিয়ম মেধা তালিকা তৈরির সময় যদি দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর মেধাস্কোর সমান হয়ে যায়, তবে নিচের ক্রমানুসারে তাদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে: ১. ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর যার বেশি হবে তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে । ২. এতেও সমান হলে, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর (৪র্থ বিষয় ব্যতীত) যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% এর যোগফল যার বেশি হবে । ৩. এরপরও সমান থাকলে, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরের (৪র্থ বিষয়সহ) যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% এর যোগফল বিবেচনা করা হবে । ৪. সবশেষেও যদি মেধাক্রম এক হয়, সেক্ষেত্রে যার বয়স কম হবে তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে । 🔄 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) বিষয় পরিবর্তন বা মাইগ্রেশন মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থী তার বিষয় পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে চূড়ান্ত ভর্তি ফরমে বিষয় পরিবর্তনের নির্দিষ্ট ঘরে ‘Yes’ অপশন সিলেক্ট করতে হবে । ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দক্রম অনুযায়ী শূন্য আসনে মেধার ভিত্তিতে বিষয় পরিবর্তনের ফলাফল প্রকাশ করা হবে । তবে কোটার মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিষয় পরিবর্তনের কোনো সুযোগ থাকবে না । 📖 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) বিষয় নির্বাচনের শর্ত আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিকের পঠিত বিষয়সমূহ থেকেই ভর্তির যোগ্য বিষয় নির্ধারণ করা হবে । এক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিকে সংশ্লিষ্ট পঠিত বিষয়ে (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ২.৫ থাকতে হবে । যেমন: এল.এল.বি-তে ভর্তি হতে চাইলে উচ্চ মাধ্যমিকে বাংলা ও ইংরেজি পঠিত বিষয় হিসেবে থাকতে হবে । Related Posts
Jahangirnagar University -শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জাবির ১৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জাবির (Jahangirnagar University) ১৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। সাবেক ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পৃথক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত জাবি প্রতিনিধি | ১৬ জুন ২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগেJahangirnagar University- এর ১৩ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সোমবার বিকেল থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলা সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দীর্ঘ আলোচনা, যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ পর্যালোচনার পর সিন্ডিকেট এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট অভিযোগে মোট ১৯ জন শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তার বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়। তাদের মধ্যে একজন শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কয়েকজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পদাবনতি ও বেতন অবনমনসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুই শিক্ষককে সতর্ক করা হয়েছে। অন্যদিকে কয়েকজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। Jahangirnagar University এর সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসরাফিল আহমেদ রঙ্গন, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলমগীর কবির, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান, অধ্যাপক বশির আহমেদ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন শিকদার, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের প্রভাষক কানন কুমার সেনের বেতন নিম্নধাপে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া কয়েকজনকে আগামী পাঁচ বছর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময় পর তাদের পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রৌফ শৈবালকে প্রভাষক পদে এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাহিদুর রহমান খানকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে। তারা দুই বছর পর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পদোন্নতির আবেদন করতে পারবেন। ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হোসনে আরা এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ মামুনকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ড. এ মামুনকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে আইবিএ-জেইউর সহকারী অধ্যাপক পলাশ সাহা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফি মোহাম্মদ তারেক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলাম খন্দকার, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ছায়েদুর রহমান ও সহযোগী অধ্যাপক মনির উদ্দিন শিকদার, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং সহকারী রেজিস্ট্রার রাজীব চক্রবর্তীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানান, কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন শাস্তি না পান এবং অপরাধে জড়িত কেউ যেন ছাড় না পান—এই বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে তৎকালীন উপাচার্য, প্রো-উপাচার্য প্রশাসন এবং কোষাধ্যক্ষের ভূমিকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে আগে কোনো স্ট্রাকচার কমিটি গঠন করা হয়নি। এ কারণে সিন্ডিকেট সভায় তাদের প্রত্যেকের বিষয়ে পৃথক তিনটি স্ট্রাকচার কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরো পড়ুন- বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বাদ পড়ার খবর গুজব: শিক্ষামন্ত্রী
What is the admission process of Dhaka University? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়া: সহজ ও বিস্তারিত Step-by-step গাইডলাইন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) ভর্তি প্রক্রিয়া: সহজ ও বিস্তারিত Step-by-step গাইডলাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি প্রক্রিয়া মূলত অনলাইন আবেদন → ফি পেমেন্ট → প্রবেশপত্র → ভর্তি পরীক্ষা → ফলাফল → বিষয় পছন্দক্রম → ডকুমেন্ট যাচাই → চূড়ান্ত ভর্তি—এই ধাপে সম্পন্ন হয়। ধাপ ১: আগে বুঝে নাও তুমি কোন ইউনিটে আবেদন করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবাই একই পরীক্ষায় বসে না। তোমার HSC গ্রুপ, যোগ্যতা এবং পছন্দের বিষয় অনুযায়ী ইউনিট নির্বাচন করতে হয়। ইউনিট সাধারণত কারা আবেদন করে বিজ্ঞান ইউনিট Science background-এর শিক্ষার্থী কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট Humanities, Social Science, Law-related subject interested শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট Business Studies background-এর শিক্ষার্থী চারুকলা ইউনিট Fine Arts / Drawing-related subject interested শিক্ষার্থী IBA BBA, Institute of Business Administration সহজভাবে:তুমি আগে ঠিক করবে—তুমি কোন বিষয়ে পড়তে চাও। তারপর দেখবে সেই বিষয় কোন ইউনিটের অধীনে পড়ে। ধাপ ২: নিজের ভর্তি যোগ্যতা যাচাই করো আবেদন করার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তুমি যোগ্য কি না সেটা দেখা। সাধারণত দেখা হয়: ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের SSC/সমমান পাসের বছর ছিল ২০২০–২০২৩ এবং HSC/সমমান পাসের বছর ছিল ২০২৫। একই সেশনে বিজ্ঞান ইউনিটে SSC+HSC মিলিয়ে ন্যূনতম GPA ৮.০০, কলা-আইন-সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ৭.৫০, আর চারুকলায় ৬.৫০ চাওয়া হয়েছিল; প্রতিটি পরীক্ষায় আলাদা ন্যূনতম GPA শর্তও ছিল। মনে রাখবে:প্রতি বছর যোগ্যতা কিছুটা বদলাতে পারে। তাই নিজের সেশনের অফিসিয়াল ভর্তি নির্দেশিকা অবশ্যই পড়তে হবে। ধাপ ৩: অফিসিয়াল ভর্তি পোর্টালে গিয়ে আবেদন শুরু করো ভর্তি আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা হয়। আবেদন করার সময় সাধারণত লাগতে পারে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ভর্তি পোর্টালে সাধারণ হেল্পডেস্ক, লগইন/রেজিস্ট্রেশন সমস্যা, ছবি, কোটা, পেমেন্ট, SMS ও ওয়েব-সংক্রান্ত সমস্যার জন্য যোগাযোগের তথ্য দেওয়া থাকে। (Dhaka University Admission) ধাপ ৪: আবেদন ফরম পূরণ করো ফরম পূরণের সময় সাধারণত নিচের তথ্যগুলো দিতে হয়: ব্যক্তিগত তথ্য একাডেমিক তথ্য আবেদন-সংক্রান্ত তথ্য সতর্কতা:ফরম সাবমিট করার আগে নাম, রোল, বোর্ড, ইউনিট ও ছবি ভালোভাবে মিলিয়ে নেবে। ভুল তথ্য দিলে পরে সমস্যা হতে পারে। ধাপ ৫: ছবি আপলোড করো ভর্তি আবেদনে সাধারণত নির্দিষ্ট সাইজ ও ফরম্যাটের ছবি লাগে। ছবি যেন হয়: ভুল ছবি দিলে কী সমস্যা হতে পারে?Admit card, পরীক্ষার হলে পরিচয় যাচাই, বা পরবর্তী ডকুমেন্ট যাচাইয়ের সময় সমস্যা হতে পারে। ধাপ ৬: আবেদন ফি পরিশোধ করো আবেদন সাবমিট করার পর নির্ধারিত আবেদন ফি দিতে হয়। ২০২৫–২৬ সেশনে আবেদন ফি ছিল ১,০৫০ টাকা। পেমেন্ট করা যেত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক—সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী—এর মাধ্যমে, অথবা debit/credit card ও mobile financial service ব্যবহার করে। পেমেন্টের পর করণীয়: ধাপ ৭: Admit Card / প্রবেশপত্র ডাউনলোড করো ফি পেমেন্ট সফল হলে নির্দিষ্ট সময়ের পর পোর্টাল থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হয়। প্রবেশপত্রে সাধারণত থাকে: প্রিন্ট করার সময়:Admit card পরিষ্কারভাবে প্রিন্ট করবে। ছবি, barcode/QR code, রোল নম্বর যেন স্পষ্ট থাকে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (DCU) ভর্তি আবেদন শুরু ধাপ ৮: ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত MCQ ও লিখিত অংশে হয়। ২০২৫–২৬ সেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চারুকলা ছাড়া অন্যান্য ইউনিটে ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ছিল। চারুকলায় ৪০ নম্বর MCQ এবং ৬০ নম্বর drawing ছিল। সাধারণ পরীক্ষার ধরন অংশ কী থাকে MCQ দ্রুত উত্তর দিতে হয়; ভুল উত্তরে নম্বর কাটা থাকতে পারে লিখিত সংক্ষিপ্ত উত্তর, ব্যাখ্যা, অনুবাদ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি Drawing শুধু চারুকলা ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ ২০২৫–২৬ সেশনে চারুকলা ছাড়া অন্যান্য পরীক্ষায় MCQ-এর জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট নির্ধারিত ছিল। চারুকলায় MCQ-এর জন্য ৩০ মিনিট এবং drawing-এর জন্য ৬০ মিনিট ছিল। ধাপ ৯: পরীক্ষার কেন্দ্র ও তারিখ ভালোভাবে দেখে রাখো Dhaka University ২০২৫–২৬ সেশনে IBA পরীক্ষা ছিল ২৮ নভেম্বর ২০২৫, চারুকলা ২৯ নভেম্বর, ব্যবসায় শিক্ষা ৬ ডিসেম্বর, কলা-আইন-সামাজিক বিজ্ঞান ১৩ ডিসেম্বর এবং বিজ্ঞান ইউনিট ২০ ডিসেম্বর। IBA ছাড়া অন্য ইউনিটগুলোর পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে ১২:৩০ পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। চারুকলা ও IBA ছাড়া অন্য তিনটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা ছাড়াও সাতটি বিভাগীয় কেন্দ্রে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পরীক্ষার আগের দিন যা করবে: ধাপ ১০: ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করো পরীক্ষার হলে সাধারণত যা করতে হবে: পরীক্ষার হলে common mistake: ধাপ ১১: ফলাফল প্রকাশ হলে result দেখো পরীক্ষার পর অফিসিয়াল পোর্টালে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে সাধারণত দেখা যায়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ভর্তি পোর্টালে ইউনিটভিত্তিক ফলাফল-সংক্রান্ত সমস্যা ও যোগাযোগের জন্য আলাদা তথ্য দেওয়া থাকে। (Dhaka University Admission) ধাপ ১২: বিষয় পছন্দক্রম দাও ফলাফলের পর যারা মেধাতালিকায় থাকে, তাদের subject choice / বিষয় পছন্দক্রম দিতে হয়। এই ধাপটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তুমি কোন বিষয়ে পড়বে, তা অনেকাংশে এই choice order-এর উপর নির্ভর করে। Subject choice দেওয়ার সময় যা ভাববে উদাহরণ:শুধু “নামের prestige” দেখে বিষয় দিলে পরে সমস্যা হতে পারে। তুমি যদি গণিত পছন্দ না করো, তাহলে শুধু নামের কারণে এমন subject নেওয়া ঠিক হবে না যেখানে অনেক গণিত লাগে। ধাপ ১৩: বিষয় বরাদ্দ বা subject allocation দেখো বিষয় পছন্দক্রম দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় মেধাক্রম, আসনসংখ্যা, কোটা এবং subject choice অনুযায়ী বিষয় বরাদ্দ করে। তুমি পেতে পারো: Migration কী? Migration মানে হলো—প্রথমে যে subject পেয়েছ, পরে মেধাক্রম ও খালি আসনের ভিত্তিতে তার চেয়ে উপরের পছন্দের subject পাওয়ার সুযোগ। ধাপ ১৪: ডকুমেন্ট যাচাই / সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করো Subject allocation-এর পর সাধারণত ডকুমেন্ট যাচাই বা সাক্ষাৎকার হয়। প্রয়োজন হতে পারে: সতর্কতা:মূল কাগজ ও photocopy—দুটিই প্রস্তুত রাখবে। যেদিন ডকুমেন্ট যাচাই, সেদিন সব কাগজ ফাইলে সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া ভালো। ধাপ ১৫: চূড়ান্ত ভর্তি ফি দাও ডকুমেন্ট যাচাইয়ের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি ফি দিতে হয়। সময়মতো ভর্তি ফি না দিলে আসন বাতিল হতে পারে। ভর্তি ফি দেওয়ার পর: Dhaka University পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া এক নজরে ধাপ কাজ ১ ইউনিট নির্বাচন ২ যোগ্যতা যাচাই ৩ অনলাইনে আবেদন ৪ ছবি ও তথ্য আপলোড ৫ আবেদন ফি পেমেন্ট ৬ Admit card ডাউনলোড ৭ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ৮ Result দেখা ৯ Subject choice দেওয়া ১০ Subject allocation দেখা ১১ ডকুমেন্ট যাচাই ১২ ভর্তি ফি দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি সহজ Checklist Dhaka University আবেদন করার আগে পরীক্ষার আগে পরীক্ষার পরে Common Mistakes: এগুলো এড়িয়ে চলবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়ায় deadline miss করা যাবে না। আবেদন, ফি, admit card, result, subject choice, interview, final admission—প্রতিটি ধাপের আলাদা সময়সীমা থাকে। তাই অফিসিয়াল ভর্তি পোর্টাল নিয়মিত দেখা সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
বুটেক্সে হল ফেস্ট-২০২৬ঃ আবাসিক হলগুলোয় আয়োজিত হলো এই আয়োজন
চতুর্থ বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনার অংশ হিসেবে প্রতিবছর হলগুলোতে এই ফেস্ট আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে পুরো হলজুড়ে নান্দনিক আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। দুইদিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ছেলেদের হলে ফুটবল, ক্রিকেট এবং ইনডোর গেমসের অংশ হিসেবে ক্যারাম, দাবা, কার্ড, ই-ফুটবল ও ফিফাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মেয়েদের হলে আয়োজন করা হয় দাবা, লুডুসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) হলগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত ‘হল ফেস্ট-২০২৬’। শুক্রবার (১৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের তিনটি আবাসিক হল—শহীদ আজিজ হল, জিএমএজি ওসমানী হল ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম হল এবং মেয়েদের বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হলে এই বর্ণিল আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিদায়ী ব্যাচকে সম্মাননা ও স্মরণীয় বিদায় জানাতে আয়োজিত এই উৎসব ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস, আনন্দ ও আবেগ।