
সারাদিন সফরকারীরা আধিপত্য দেখালেও দিনের শেষবেলায় সব নজর নিজের দিকে টেনে নেন লিটন। ‘মাস্টারক্লাস’ সেঞ্চুরিতে সিলেট টেস্টের পুরো দিনটাকেও একতরফা হতে দেননি এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
স্রোতের বিপরীতে একাই প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন লিটন দাস। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভেস্তে যায় পাকিস্তানের সব পরিকল্পনা।
এতে সিলেট টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৭৭ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রান করেছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন লিটন।
শনিবার (১৬ মে) ঢাকা টেস্টের পর সিলেটেও টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। দ্রুতই এর সুফলও পায় সফরকারীরা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাফল্য এনে দেন মোহাম্মদ আব্বাস। মাহমুদুল হাসান জয়কে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান ঢাকা টেস্টে ফাইফার পাওয়া এই পেসার।
তবে, ক্ল্যাসিক এই ব্যাটার একপ্রান্ত আগলে রাখলেও আরেকপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল চলছিল! ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে একাই লড়াই করেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দ্রুত তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারও ছুঁয়ে ফেলেন। ব্যক্তিগত সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে ১৩৫ বল খেলেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি এটি লিটনের।
এই ইনিংস খেলার পথে তাইজুলের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েছিলেন। তবে ১৬ রান করে সাজিদ খানের বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। তার বিদায়ে ১৭৬ রানে ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর দ্রুত ফেরেন তাসকিন আহমেদও। খুররাম শাহজাদের চতুর্থ শিকার হয়ে স্লিপে সালমান আলী আগাকে ক্যাচ দিয়ে ৭ রান করে ফেরেন এই ব্যাটার।
পরে ১৫৯ বলে ১২৬ রান করে লিটন বিদায় নিলে শেষ আশার আলোও নিভে যায় স্বাগতিকদের। ৭৭ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭৮ রান। ৩০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন শরিফুল।
পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ ৪টি, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি, হাসান আলী দুটি এবং সাজিদ খান একটি উইকেট শিকার করেন।